দেশের মাটিতে পুরোদমে ক্রিকেট ফিরেছে। ইতিমধ্যেই বিসিবি প্রেসিডেন্ট কাপ ওয়ানডে সিরিজ সফল হওয়ার পথে। তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট ভক্তদের জন্য দারুন সুখবর, খুব তাড়াতাড়ি দেশের মাটিতে ফিরছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ। করোনা ভাইরাসের কারণে বাংলাদেশের স্থগিত হয়েছে একাধিক আন্তর্জাতিক সিরিজ।

কিন্তু বিসিবির সামনে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ ছিল বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজন করা। কিন্তু শেষপর্যন্ত সফল ভাবে বিসিবি প্রেসিডেন্ট কাপ আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এখানেই শেষ নয় আগামী নভেম্বরে আরো বড় পরিসরে ক্রিকেট ম্যাচ ফিরবে বাংলাদেশ।

পাঁচ দল নিয়ে হবে টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট। সেখানে অংশগ্রহণ করবে ৭৫ জন ক্রিকেটার। এর পরেই জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঘরের মাঠে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ রয়েছে বাংলাদেশের। যা বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সিরিজ।

এই সিরিজ সফলভাবে আয়োজন করতে ইতিমধ্যেই নানা কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। বায়োসিকিউর বাবল পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে দু-এক দিনের মধ্যে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে অনুমোদনের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে দেওয়া হতে হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান।

শুধু তাই নয় শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের মতো কঠোর কোয়ারেন্টাইন শর্ত থেকে সরে আসছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। বাংলাদেশে এসে সাত দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলকে। কোয়ারেন্টাইনে থাকাবস্থায়ই অনুশীলন করতে পারবে সফরকারীরা।

এই সাতদিনের মধ্যে তিনবার পরীক্ষা করা হবে ক্রিকেটারদের। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান বলেন, “উইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে সিরিজের আয়োজনের প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছেন তারা।

বায়োসিকিউর বাবল পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে দু-এক দিনের মধ্যে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে অনুমোদনের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে দেওয়া হতে পারে। বিসিবির প্রস্তাব, ঢাকায় নেমে এক সপ্তাহের কোয়ারেন্টাইনে থাকাবস্থায়ই অনুশীলন করতে পারবে সফরকারীরা।

বাংলাদেশের বিপক্ষে তিনটি টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে ও দুটি টি-২০ মোট আটটি ম্যাচ স্টেডিয়াম এর আয়োজন করা একপ্রকার অসম্ভব। তাই ইংল্যান্ডের মতো বিসিবিও দুটি ভেন্যুতে সীমিত রাখবে খেলা।

ঢাকার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের সঙ্গে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী বা সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম হবে দ্বিতীয় ভেন্যু। হোটেলের বায়ো-বাবল নিরাপত্তা ও মাঠে যাতায়াতের সুবিধা গুরুত্ব পাবে ভেন্যু নির্বাচনে। এ মুহূর্তে ভেন্যুর চেয়েও গুরুত্ব পাচ্ছে সফরকারীদের জন্য বায়োসিকিউর বাবল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন করিয়ে নেওয়া।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *